প্রিন্ট এর তারিখঃ বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩


জাতীয়

যমুনা সেতু মহাসড়কের দুই প্রান্তে ৩০ কিলোমিটার ধীরগতি ও যানজট

প্রকাশিত: ২০২৫-০৬-১৪ ২২:৩৪:১৫

News Image

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঈদুল আজহার ছুটির শেষ দিনে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের ঢল নেমেছে বাস টার্মিনালে ও মহাসড়কে। সেই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যমুনা সেতুর ওপর সড়ক দুর্ঘটনা ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ। 

 

শনিবার (১৪ জুন) সকাল থেকে টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ অংশ মিলিয়ে যমুনা সেতুর দুই প্রান্তে প্রায় ৩০ কিলোমিটারজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট ও যান চলাচলের ধীরগতি।

 

দীর্ঘ এই যানজটে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীরা। কোথাও কোথাও যানবাহন একেবারে স্থবির হয়ে পড়ে, আবার কোথাও থেমে থেমে ধীরে চলছে।

 

টাঙ্গাইল অংশে যমুনা সেতু থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যান চলাচল ছিল অত্যন্ত ধীরগতির। অপরদিকে সিরাজগঞ্জ অংশে যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের ঝাঐল ওভার ব্রিজ থেকে পশ্চিম টোল প্লাজা, কড্ডার মোড়, নলকা মোড় ও সীমান্ত বাজার পর্যন্ত আরও প্রায় ১৫ কিলোমিটারজুড়ে দেখা গেছে একই ধরনের পরিস্থিতি।

 

পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত থেকেই সড়কে বাড়তে থাকে যানবাহনের চাপ। গভীর রাতে যমুনা সেতুর ওপর একটি পিকআপ ও একটি ট্রাকের সংঘর্ষে দুর্ঘটনা ঘটলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়িগুলো সরাতে রেকার পৌঁছাতে সময় লাগায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

 

যমুনা সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ বলেন, “দুর্ঘটনার কারণে সারারাতই যানবাহন চলেছে ধীরগতিতে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অতিরিক্ত চাপ।”

 

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ শরীফ বলেন, “সিরাজগঞ্জ অংশে যানবাহনের জট ছিল। সেটির প্রভাব পড়ে টাঙ্গাইল অংশেও।”

 

পশ্চিম থানার ওসি আসাদুজ্জামান জানান, “ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চাপ থাকায় এ পরিস্থিতি। তবে দুপুর নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।”

 

এই যানজটের কারণে যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। ঈদের ছুটি শেষে পরিবার থেকে বিদায় নিয়ে কর্মস্থলে ফেরার যাত্রাপথ হয়ে উঠেছে দীর্ঘ অপেক্ষা ও ক্লান্তিকর অভিজ্ঞতা। যাত্রীদের অভিযোগ, কিছু এলাকায় অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। তবে পুলিশ জানায়, যানজট নিরসনে ও যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন।